Short biography

অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম

বাঁশখালীর সর্বজন শ্রদ্ধেয় পীরে কামেল, আল্লামা শাহ ইসহাক হুজুর (হাফি) এর সুযোগ্য সন্তান এবং বাঁশখালীর অন্যতম দ্বীনি বিদ্যাপীঠ বাঁশখালী হামেদিয়া রহিমা ফাযিল মাদরাসার স্বনামধন্য অধ্যক্ষ।

২০০৩ সালে শেখেরখীল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিত্বের হাতেখড়ি হয় এই প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদের। পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বারবার। পেয়েছেন জনতার বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন, লড়েছেন জাতীয় নির্বাচনেও। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক সফরে নিজ জনপদ ও জনপদের মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন অকাতরে, হয়েছেন সুখ-দুঃখের সার্বক্ষণিক সাথী।

জলকদরের নোনাস্রোতের পাদদেশে বেড়ে উঠা এই জনদরদী নেতা বুঝেন বাঁশখালীর গণমানুষের ষর মনের ভাষা। জনতার কাতারে থেকেই উপলদ্ধি করেছেন পাহাড়-সমতল ও উপকূলের মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার গল্প।

বাঁশখালীর জনমানুষের এই সমস্যা-সম্ভাবনার গল্পগুলো সংসদে তুলে ধরতে এবং একটি সমৃদ্ধ বাঁশখালী বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা মার্কায় আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নমিনেশনে।

কেন আমরা?

অভিজ্ঞতা

দুইবারের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও একবারের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পুরো বাঁশখালীতে জনপ্রশাসন পরিচালনয় ২০+ বছরের অভিজ্ঞতা।

সংগঠন

অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলামের পুরো বাঁশখালী জুড়ে রয়েছে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো যা উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

জনবল

দেশ ও দশের স্বার্থে পূর্ণ আমানতদারীতার সাথে কাজ করার মতো দক্ষ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক জনবল রয়েছে অধ্যক্ষ্য মাওলানা জহিরুল ইসলামের।

দায়িত্বশীলতা

একজন আলেম ও শিক্ষক হিসেবে জনগণের আমানতের সুরক্ষায় দায়িত্বশীলতা ও কর্তব্যপরায়নতার যায়গায় অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম অনন্য।

Shopping Cart
Scroll to Top