আমাদের ভিশন!

সমৃদ্ধ বাঁশখালী বিনির্মানে

উন্নত যোগাযোগ দূর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরী প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধন মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা

জনপদের সেবায়, জনতার ভালোবাসায়

নির্বাচনের মধ্যে
0 টি
নির্বাচনে বিজয়
0 টি
জনতার রায়
0 +

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬, বাঁশখালী থেকে, ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক

দাঁড়িপাল্লা, ইনশাআল্লাহ

উন্নয়নের ০৩ পূর্বশর্ত

উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা

যেকোন ধরনের উন্নয়নের পূর্বশর্ত নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ। আমরা বাঁশখালীর যোগাযোগ ভোগান্তির চুড়ান্ত অবসান করতে চাই।

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন

আমরা মনে করি দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজমুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরী করা না গেলে কোন উন্নয়ন পরিকল্পনাই ফলপ্রসূ হয়না।

সেক্টর ভিত্তিক দক্ষ জনবল

জনবলকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করা না গেলে একটা জনপদের সত্যিকারের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা সেক্টর ভিত্তিক দক্ষ জনবল তৈরী করতে চাই।

সংকট ও সম্ভাবনা

সমৃদ্ধ বাঁশখালী গড়তে জহির ভাইয়ের উন্নয়ন ভাবনা

রূপকল্প-৩০

অবকাঠামোগত উন্নয়ন
  • বাঁশখালীর প্রধান সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ।
  • সংযোগ সেতু সহ ছনুয়া থেকে প্রেমাশিয়া পর্যন্ত আশরাফ আলী সড়কের পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে পশ্চিম বাঁশখালীর জন্য বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরী এবং প্রধান সড়কের চাপ কমানো।
  • জলকদর খালের প্রয়োজনীয় ড্রেইজিং এর মাধ্যমে সাঙ্গুর সাথে পূর্ণ সংযোগ তৈরী এবং জলকদরের সাথে সংযুক্ত পাহাড়ি ছরাগুলোর প্রয়োজনীয় খননের মাধ্যমে দ্রুত পানি নিষ্কাশন নিশ্চিতকরণ।
  • উপকূল এবং জলকদরের দুই পাড়ের বেড়িবাঁধের সংস্কার, পুণঃনির্মাণ, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্লক বসানো এবং বেড়িবাঁধকে যান চলাচল উপযোগী করার মাধ্যমে বাঁশখালীর জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান।
  • প্রধান সড়কের পাশে কেন্দ্রীয় টার্মিনাল তৈরী।
  • ঝুঁকিপূর্ণ মোড়, ফিটনেসবিহীন গাড়ি সমস্যার সমাধান এবং চালকদের প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স ও চালকদের ডেটাবেজ তৈরী।
  • আন্ত ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক ও কানেক্টিং ব্রীজ-কালভার্ট-সেতুর সংস্কার ও প্রয়োজনে নতুন নির্মাণ।
  • এলজিইডি সহ যাবতীয় সরকারী ও বেসরকারী বরাদ্ধের সুষম বন্টন।
  • জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, নাগরিকতা সনদ সহ সবধরনের নাগরিক সেবায় ডিজিটাল সার্ভিস ব্যবহারে ব্যাপক জনপ্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ এবং সেবা ভোগান্তি নিরসনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ।
  • খতিয়ান, নামজারি, মিউটেশ সহ যাবতীয় ভুমি সংশ্লিষ্ট সেবা ঘরে বসে পাওয়ার গণ নাগরিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ এবং দালাল ও সিন্ডিকেট ও ঘুষের বিড়ম্বনার স্থায়ী অবসান করা।
  • থানা ও আদালত সংশ্লিষ্ট সব ধরনের নাগরিক সেবায় ডিজিটাল সার্ভিস নিশ্চিতকরণ এবং সেবা বিলম্ব বা বিড়ম্বনায় কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ।
  • নাগরিক সেবায় জন দুর্ভোগের অভিযোগ গ্রহণের জন্য আমরা একটা অনলাইন অভিযোগ পোর্টাল চালু করবো । ব্যাক্তিগত পরিচয় গোপন রেখে যে কেউ সেখানে জপ্রশাসনের যে কোন স্তরের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে পারবে। আমরা প্রতি তিন মাস অন্তর এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে কড়া জবাবদিহির আওতায় আনবো ইনশাআল্লাহ।
  • কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে রুটিন করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসানোর ব্যবস্থা করা। সরকারী অনুমোদনে দেরী হলে বেসরকারিভাবে এটা নিশ্চিত করা হবে।
  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ (ইতোমধ্যে ডিও লেটার আমরা দিয়েছি)।
  • পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, নার্স, ডায়াগনোসিস ফ্যাসিলিটি এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতা-সেনিটেশন নিশ্চিতের পাশাপাশি কঠোর প্রশাসনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে।
  • চট্টগ্রাম জেলা সদর হাসপাতালের চাপ কমানো এবং দক্ষিণ জেলার মানুষের মেডিকেল সেবাকে জনসংখ্যার অনুপাতে পর্যাপ্ত করার জন্য এই অঞ্চলের জন্য আলাদা চট্টগ্রাম মেডিকেলের সমপর্যায়ের আলাদা একটা মেডিকেল করার উদ্যোগ নেয়া হবে।
  • স্বাস্থ্যসেবাকে তরান্বিত করার জন্য ডাক্তারের পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত নার্স। আমরা বাঁশখালীতেই নার্সিং কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ ইতোমধ্যে নিয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। দ্রুতসময়ের মধ্যে এটা কার্যকর হবে।
  • জ্বর, সর্দি, সিজনাল ফ্লু, ননমেজর ইনজুরি ইত্যাদি জরুরী স্বাস্থ্যসেবার জন্য আমরা সরকারী স্বাস্থ্যবাতায়ন এবং কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সাথে সমন্বয় করে বাঁশখালীর মানুষের জন্য ডেডিকেটেড টেলিমেডিসিন সার্ভিস চালু করা।
  • জনগণের অসচেতনতা এবং স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় হাসপাতালগুলোতে যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে রোগী ও রোগীর এটেন্ডেন্টদের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতা প্রয়োজন হয় তা আমাদের ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা পাননা। এটার জন্য আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিক সহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য সরকারি বেসরকারী অর্গানগুলোকে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোর সাথে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত সচেতনতা ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা করবো।
  • বাঁশখালীর স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে সুপরিসর ক্লাশরুম, পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন সুবিধা এবং স্বাস্থ্যকর সেনিটেশন ব্যবস্থা (মেয়েদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাসহ) নিশ্চিত করা আমাদের শিক্ষাখাতের উন্নয়নের প্রাথমিক টার্গেট।
  • কোন প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষক পদ খালি থাকতে পারবেনা। আমাদের সন্তানদের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ শিক্ষকের ব্যবস্থা হবে।
  • খেলার মাঠগুলোকে পূর্ণ সংস্কার এবং যেসব প্রতিষ্ঠানে মাঠ নেই সেখানে সুপরিসর মাঠের ব্যবস্থা করা হবে।
  • প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকর লাইব্রেরী এবং আইসিটি ও সাইন্স ল্যাব নিশ্চিত করা হবে।
  • অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারী/বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় মেধাবৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।
  • প্রচলিত ন্যাশনাল কারিকুলামকে যুগের চাহিদার সাথে আরো আপগ্রেড করার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখা হবে ইনশাআল্লাহ।
  • আমাদের জনসংখ্যার বড় একটা অংশ কৃষির সাথে যুক্ত থাকলেও দুঃখজনকভাবে জিডিপিতে কৃষির অবস্থান অত্যান্ত নাজুক। এই পরিস্থিতি নিরসনে কৃষির আধুনিকায়ন এবং কৃষি ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে মোট জিডিপিতে কৃষির শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব, আমরা জাতীয় পর্যায়ে এই কাজটা করবো ইনশাআল্লাহ।
  • পাহাড়ি ছরা ও খালের মিঠা পানির ধারাকে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ড্যাম নির্মাণের মাধ্যমে সেচ প্রকল্প হিসেবে রূপদান করা হবে।
  • বীজ, সারসহ সব ধরনের কৃষি ইনপউটের বাজার সিন্ডিকেট মুক্ত করে পর্যাপ্ত সরবরাহ ও সুষম বন্টন নিশ্চিত করা হবে।
  • উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে আমরা নিজস্ব সাপ্লাই চেইন তৈরী করার পরিকল্পনা করছি যাতে কৃষকের ঘাম ঝরা ফসলের দাম আড়তদার ও ফড়িয়াদের সিন্ডিকেটে নষ্ট না হয়ে যায়।
  • পরিবার পর্যায়ে ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষি পণ্যের প্রসেসিং ব্যবসা শুরু করার প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ ব্যবস্থা করা হবে যাতে প্রতিটা কৃষক পরিবার স্বাবলম্বী হতে পারে।
  • সামুদ্রিক মৎস আহরণ ও ঘেরভিত্তিক মৎস চাষকে লাভজনক বানিজ্যে রূপান্তরের জন্য দেশী-বিদেশী বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। আমরা বাঁশখালীর সমূদ্র সম্পদকে পূর্ণরূপে ব্যবহার করতে চাই।
  • মাছ প্রসেসিং, আধুনিক শুটকি প্লান্ট, নিজস্ব সাপ্লাই চেইন এবং রপ্তানীর মাধ্যমে স্থানীয় কর্মসংস্থান তৈরী করার উদ্যোগ নেয়া হবে।
  • লবনের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে স্থানী প্রসেসিং প্লান্টের উদ্যোগ নিয়ে রাঘব বোয়ালদের সিন্ডিকেট নির্মূল করা হবে ইনশাআল্লাহ।
  • পাহাড়-সমূদ্রের এই বিশাল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে একটি লাভজনক বানিজ্যিক পর্যটনে রূপান্তরের জন্য বাঁশখলীকে পর্যটন উপজেলা ঘোষণা করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো বিনির্মাণ ও পর্যটন পুলিশের ব্যবস্থা করা হবে।
  • পর্যটনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেড়িবাঁধ ও উপকূলীয় বনায়ন প্রকল্প ডিজাইন করা হবে।
  • বিদেশী পর্যটক আকর্ষণ করার মতো প্রয়োজনী হোটেল/রিসোর্ট নির্মাণের জন্য দেশী-বিদেশী বিনিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হবে।
  • ইকোপার্ক, চা-বাগান ও সমূদ্র সৈকতে যাতায়াতের জন্য পর্যটন কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
  • কৃষি, ,মৎস ও পর্যটন শিল্পের বানিজ্যিক প্রসার হলে বাঁশখালীতেই ব্যাপকহারে প্রথম শ্রেণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের মাধ্যমে শক্তিশালী পারিবারিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরী করা হবে।
  • স্থানীয় রিসোর্স ব্যবহার করে প্রযুক্তিনির্ভর মাঝারী শিল্প উদ্যোগ্যের মাধ্যমে নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরীর উদ্যোগ নেয়া হবে। এসব উদ্যোগের জন্য আইডিয়া জেনারেশন, মেন্টরিং, ইনকিউবেশন এবং বিনিয়োগ ইকোসিস্টেম ডেভলপ করা হবে।
  • জনবলকে জনসম্পদে রূপান্তরের জন্য ব্যাপকহারে প্রশিক্ষণ এবং ইন্টার্নশীপের ব্যবস্থা করা হবে এবং প্রশিক্ষিত জনশক্তিকে দক্ষতা অনুযায়ী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জব মার্কেটপ্লেসের জন্য গাইডলাইন ও মেন্টরিং সাপোর্ট দেয়া হবে।

কেন জহির ভাই?

অভিজ্ঞতা

দুইবারের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও একবারের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পুরো বাঁশখালীতে জনপ্রশাসন পরিচালনয় ২০+ বছরের অভিজ্ঞতা।

সংগঠন

অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলামের পুরো বাঁশখালী জুড়ে রয়েছে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো যা উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

জনবল

দেশ ও দশের স্বার্থে পূর্ণ আমানতদারীতার সাথে কাজ করার মতো দক্ষ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক জনবল রয়েছে অধ্যক্ষ্য মাওলানা জহিরুল ইসলামের।

দায়িত্বশীলতা

একজন আলেম ও শিক্ষক হিসেবে জনগণের আমানতের সুরক্ষায় দায়িত্বশীলতা ও কর্তব্যপরায়নতার যায়গায় অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম অনন্য।

ভিডিও বার্তা

আপনার জনপদের সমৃদ্ধির যাত্রায়

আপনিও অংশ নিন

কালো টাকা ও পেশীশক্তি নির্ভর রাজনীতি জনগণকে নির্দিষ্ট দল ও ব্যক্তির কাছে জিম্মি করে রাখে। নির্বাচনে ঢালা কোটি কোটি কালো টাকা তুলে নিতে নির্বাচিত প্রতিনিধি ও দল লিপ্ত হয় সীমাহিন দুর্নীতি ও লুটপাটে। তাই আমরা জনগণের অংশগ্রহণেই নির্মাণ করি জনপদের রাজনীতি।

ক্যাম্পেইন আপডেট

স্বপ্নের ০৩ প্রকল্প

জলকদর প্রকল্প

বাঁশখালীর মাঝ বরাবর বয়ে যাওয়া জলকদরের সুষ্টু ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে পুরো বাঁশখালীর কৃষি, যোগাযোগ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

  • সাঙ্গুর সাথে জলকদরের পূর্ণ সংযোগ স্থাপনে প্রয়োজনীয় ড্রেইজিং এর ব্যবস্থা করা।
  • জলকদরের সাথে সংযুক্ত ছরাগুলোতে প্রয়োজনীয় খননের মাধ্যমে দ্রুত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের জন্য উপযুক্ত যায়গায় ড্যাম স্থাপন করা।
  • জলকদরের উভয় পাশের সুইচগেইটগুলো সংস্কারের মাধ্যমে পূর্ণ সংস্কার নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আরো সুইচগেইট নির্মাণ করা।
  • উভয় পাড়ের বেড়িবাঁধ পূর্ণ সংস্কারের করা এবং বেড়িবাঁধগুলোকে যান চলাচলের উপযুক্ত করা।
  • জলকদরকে পূর্ণ সচল করা গেলে সড়ক পথে লবন পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। এতেকরে সড়ক দুর্ঘটনার একটা বড় কারন দূর হবে ইনশাআল্লাহ।

সাসটেইনাবল গ্রীন ইকনমি

একটি সমূদ্র উপকূলবর্তী জনপদ হিসেবে বাঁশখালী জলবায়ু হুমকির সামনের সারির ভুক্তভোগী। তাই ভারী শিল্পায়ন ও অতি নগরায়ন এই জনপদের জন্য আত্মবিধ্বংসী।

  • আমরা বাঁশখালীর বৈচিত্রময় ভূপ্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে ব্যাপকভাবে বানিজ্যিকীকরন করতে চাই কোন ধরনের অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ ছাড়াই।

  • আমরা অবারিত সবুজ পাহাড়কে পরিকল্পিত কৃষি ও বানিজ্যিক বনায়নের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছি। চা ও পান চাষের সম্প্রসারণ এবং লিচু ও অন্যান্য দামী দেশীয় ফলের প্রযুক্তি নির্ভর আবাদে আমাদের পাহাড়কে কাজে লাগানো সম্ভব

  • আমাদের সমতলভূমিগুলোকে পরিকল্পিত সেচ ব্যবস্থার আওতায় এনে সবজি ও শস্য উৎপাদনে বিপ্লব ঘটানো সময়ের ব্যাপার মাত্র। ব্যাপক উৎপাদনকে হাই ভ্যালু ইকোনমিতে ট্রান্সফর্ম করার জন্য আমাদের প্রযুক্তি নির্ভর নিজস্ব সাপ্লাই চেইন ও বাজার ব্যবস্থাপনা তৈরীর পরিকল্পনা আছে যার প্রতিটা ধাপে হাজার হাজার শিক্ষিত তারুণ্যের সম্মানজনক কর্মসংস্থান তৈরী হবে

  • আমরা আমাদের বৈচিত্র্যময় ভূপ্রকৃতিকে হাই ভ্যালু ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছি। আমাদের আকাঙ্খা একসাথে পাহাড়-সমূদ্রের এই রেয়ার ট্যুরিজমকে আমরা আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে নিয়ে যেতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

  • আমাদের হাতে আছে অবারিত সমূদ্র সম্পদ যার ৫-১০% ও আমরা ব্যবহার করতে পারিনা। ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে মৎস চাষ, পোনা সংগ্রহ ও মৎস আহরণকে বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত করা সম্ভব। আমাদের সেই রিসোর্স আছে, আমরা সেটা পারবো ইনশাআল্লাহ।

  • এছাড়াও উপকূলীয় লবন শিল্পকে আমরা পূর্ণতা দিতে চাই। লবনের উৎপাদনের পাশাপাশি প্রসেসিং, প্যাকেজিং এবং বিপনন ব্যবস্থাও আমাদের নিজস্ব হবে ইনশাআল্লাহ। এতেকরে কেজি ৪০-৫০ টাকা দামের লবন মন ১০০-১৫০ টাকায় বিক্রি করতে হবেনা। আমাদের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।

  • আমরা বাঁশখালীর অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য ব্যাপকভাবে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। যাতে করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইউনিট থেকে লার্জ স্কেলের প্রোডাকশন আসে, যাতে করে পরিবারের নারীরা পারিবারিক অর্থনীতিতে কন্ট্রিবিউট করতে পারে, যাতে করে কৃষি বা অন্যান্য পেশার পাশাপাশি প্রত্যেকটা পরিবারের কোন কোন একটা বিজনেস থাকে।

  • এই খাতে আমরা বাঁশখালীতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি সরকারী সংস্থা ও এনজিওর মাধ্যমে ব্যাপক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো এবং উৎপাদিত পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার নিশ্চিত করবো ইনশাআল্লাহ।

  • আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা কাঙ্ক্ষিত মানের হয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহর থেকে বাঁশখালীর দূরত্ব হবে আধঘন্টার। আমরা উত্তরে চট্টগ্রাম শহর ও দক্ষিণে গড়ে উঠতে যাওয়া
    মহেশখালী-মাতারবাড়ি ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনকে টার্গেট করে বাঁশখালীতে পরিকল্পিত বানিজ্যিক আবাসন প্রকল্প তৈরীর মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছি। এতে করে অর্থনীতি সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি বাঁশখালীর মানুষের জীবনমান আরো উন্নত হবে এবং এই জনপদ আরো বসবাসযোগ্য হয়ে গড়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।

পর্যটন প্রকল্প

পাহাড়, সমূদ্র আর সমতল মিলে এমন বৈচিত্রময় পর্যটন সম্ভাবনা পৃথিবীর খুব দেশেই আছে। এই সম্ভাবনাকে আমরা বাস্তবে রূপ দিতে চাই, বাঁশখালীকে গড়ে তুলতে চাই আন্তর্জাতিক পর্যটন স্পট হিসেবে।

  • বাঁশখলীকে পর্যটন উপজেলা ঘোষণা করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো বিনির্মাণ ও পর্যটন পুলিশের ব্যবস্থা করা হবে।
  • পর্যটনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেড়িবাঁধ ও উপকূলীয় বনায়ন প্রকল্প ডিজাইন করা হবে।
  • বিদেশী পর্যটক আকর্ষণ করার মতো প্রয়োজনী হোটেল/রিসোর্ট নির্মাণের জন্য দেশী-বিদেশী বিনিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হবে।
  • ইকোপার্ক, চা-বাগান ও সমূদ্র সৈকতে যাতায়াতের জন্য পর্যটন কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
  • বিদেশী পর্যটক আকর্ষণ করার জন্য দেশের প্রথম ইকো-ট্যুরিজম সাইট তৈরী করা হবে যেটার মাধ্যমে গো-জায়ানের মতো আন্তর্জাতিক ট্যুরিজম প্লাটফর্মের সাথে পার্টনারশীপ তৈরী করা যাবে।

Upload Your Photo

Accepted file types: JPG, PNG, GIF

অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম

সংসদ সদস্য প্রার্থী, চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী)

সাবেক সফল উপজেলা চেয়ারম্যান এবং এসিসট্যান্ট সেক্রেটারী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা।

Scroll to Top